চাকরি জীবনে বস কারও জন্য আতঙ্কের এবং কারও জন্য আনন্দের একটি নাম। বসকে খুশি করার উপায় জানতে হবে। নইলে আপনি প্রফেশনাল লাইফে খুব বেশি আগাতে পারবেন না। অনেকে আপনার পরে এসেও ক্যারিয়ারে আপনার আগে চলে যেতে পারে যদি তার সাথে বসের সম্পর্ক থাকে অনেক ভালো। তাহলে আসুন, আজকে আমরা জানি— কর্মীর যে পাঁচটি কাজ বসকে খুশি করে বা বসকে খুশি করার উপায় কী কী!
প্রিয় পাঠক, একেবারে শেষে রয়েছে কিছু স্পেশাল টিপস! তাই মনোযোগ দিয়ে পুরোটা পড়ুন।
কর্মীর যে পাঁচটি কাজ বসকে খুশি করে
কাজ শেষ করুন নির্দিষ্ট সময়ে
আপনাকে কোনো কাজের দায়িত্ব দেওয়া হলে তা অবশ্যই সঠিক সময়ের মধ্যে করে নেবেন। কাজে দেরি হলে বস অবশ্যই মনঃক্ষুণ্ণ হবেন। আর বসের অসন্তুষ্টি মানে বুঝতেই পারছেন। কাজ করার চেষ্টা করবেন একটু দেখিয়ে দেখিয়ে। মানে দৌড়াদৌড়ি এমনভাবে করবেন যেন বসের চোখে পড়ে। কারণ আগে দর্শনধারী পরে গুণবিচারী!
⏩ আরও পড়ুন: ক্যারিয়ারের শুরুতে যে ভুলগুলো করবেন না!
হ্যাঁ স্যার, ঠিক বলেছেন
কথাটায় একটা জাদু আছে বিশ্বাস করুন! পরিমিত পরিমাণে এটির ব্যবহার আপনাকে করে তুলতে পারে বসের অতিপ্রিয়। আবার বেশি করবেন না। চালাকি ধরে ফেললে হাসির পাত্র হবেন। তবে একটা কাজ অবশ্যই করবেন। আপনার বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা হাবভাবে বোঝাবেন যে, বসের চাওয়াই আপনার জীবনের সব। শুনতে একটু কেমন কেমন লাগবে। কিন্তু দিনশেষে এই টিপসগুলোই কাজে দেবে।
বসের জন্মদিন এবং উনার প্রিয় উপহারে এগিয়ে থাকুন সবার আগে
জন্মদিনে যে সবার আগে উইশ করে তার কথা কিন্তু মনে থাকে। একটু বেশিই মনে থাকে। ভালো লাগাও বাড়ে তার প্রতি। প্রিয় পাঠক, নিশ্চয়ই বুঝে গিয়েছেন কী করতে হবে? আর উপহার পেতে সবারই ভালো লাগে। আপনার বসের প্রিয় পছন্দের জিনিস কোনটি সেটি খুঁজে বের করুন। জন্মদিনের দিন সেটা উপহার দিন। দেখবেন বস আপনার প্রতি অনেক বেশি আন্তরিক হয়েছে।
টিম ওয়ার্কে করতে হবে প্রচুর show off
দলগত কাজে আপনাকে চটপটে থাকতে হবে। আপনার একেবারে কিচ্ছু করার না থাকলেও হাতে ল্যাপটপ বা গুরুত্বপূর্ণ ডকুমেন্টস নিয়ে দৌড়ান। শুধু বস কেন, সবার নজরেই আপনি থাকবেন হিট। আর পরিশ্রমের অবশ্যই একটা মূল্য আছেই। তবে পরিশ্রমটা করতে হবে যতবেশি সম্ভব দেখিয়ে দেখিয়ে।
⏩ আরও পড়ুন: নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে তুলতে কী কী করবেন!
বসের সাথে যোগাযোগ বাড়ান
বস কোন কারণে আপনাকে বকাঝকা করল, আপনি গোমড়ামুখ করে থাকলেন। এমনটা হলে চলবে না। পিছিয়ে পড়বেন। বকা যতই দিক, আবার আপনি হাজির হবেন। বসের মুড বুঝে নিচু গলায় নিজের কষ্টের কথা শেয়ার করবেন। আবারও বলছি এটা করতে হবে বসের মুড বুঝে। তেমনি বসের পার্সোনাল লাইফ নিয়ে ভুলেও কিছু জিজ্ঞেস করবেন না। নিজেকে এমনভাবে উনার বিশ্বস্ত করবেন যেন উনি নিজেই আপনাকে সব বলে। তবে হ্যাঁ, মতামত যত পারেন কম দেবেন। বসের কিছু এক্সট্রা কাজ করে দিতে পারেন। এতে উনি আপনার ওপর নির্ভরশীল হবেন। ভরসা বাড়বে আপনার ওপর।
কর্মীর যে পাঁচটি কাজ বসকে খুশি করে সেগুলো আশা করি বুঝে গেলেন।
ও হ্যাঁ, স্পেশাল টিপসগুলো জেনে রাখুন!
– কাজের চাপে আপনার বসের আচরণ।
– তার যোগাযোগের ধরন।
– তিনি রেগে গেলে এবং খুশি থাকলে কোন প্রকারের বাক্যবাণ ছুঁড়েন।
এই তিনটি জিনিস বুঝে কাজ করলে বস আপনাকে মাথায় তুলে রাখবে। প্রমোশনের ব্যাপারটাতেও আপনি থাকবেন সবার আগে।
⏩ আরও পড়ুন: চাকরি না থাকার চাপ সামলাবেন যেভাবে!
আশা করছি, আর্টিকেলটি আপনার ভালো লেগেছে। আপনার যেকোনো ধরনের প্রশ্ন কিংবা মতামত জানান আমাদের কমেন্ট বক্সে। আর্টিকেলটি ভালো লাগলে বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন। ডেইলি লাইভ এর সাথে থাকুন সবসময়। আপনার দিনটি শুভ হোক।
আহা! কাজের জায়গায় বসকে খুশি করতে পারা অনেক টাফ। যা খুব সহজে এই আর্টিকেল দ্বারা সমাধান করা সম্ভব। ধন্যবাদ।